এপেক্স বাংলাদেশের চতুর্থ জাতীয় সভাপতি (১৯৭৯) শহীদুল ইসলামের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ(২,৮,২০২১) এপেক্স বাংলাদেশের চতুর্থ জাতীয় সভাপতি (১৯৭৯) শহীদুল ইসলামের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী।
শহীদুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর এপেক্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।তিনি ১৯৭৬ সালে এদেশে এসোসিশেশন প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আইআরও বা বর্তমান এনআইআরডি।এর পর এএসিসি পদ অতিক্রম করে এনভিপি হন।১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে বরিশালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ জাতীয় সম্মেলনে তিনি প্রতিদ্বন্ধিতায় জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে এপেক্স ক্লাবকে নেতৃত্ব দেন।
পড়াশুনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৭০ সালে এম বিএ পাস এ যুবক মাত্র ৩২ বছর বয়সে জাতীয় সভাপতি হন।তিনি বাংলাদেশে এপেক্স ক্লাবের নবীনতম জাতীয় সভাপতি। একজন অগ্রগামী এপেক্সিয়ান হিসাবে শহীদুল বেশ কিছু এপেক্স ক্লাব প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।যশোহর,খুলনা,কুষ্টিয়া ক্লাব প্রতিষ্ঠা তার সময় হয়। এপেক্স ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠায়ও তার অবদান রয়েছে।তার সময়ই এদেশে মহিলাদের সংগঠন লেডিস সার্কেল প্রতিষ্ঠা হয় যার সভাপতি ছিলেন তারই সহধর্মিণী নাসিমা শহীদ।
কর্মজীবনে বিজেএমসি’র জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে পরবর্তীতে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজ করেছেন। তার তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে হুরিয়া পারভিন সুশান একজন চিকিৎসক, ছেলে শাওন শহীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ।মেটলাইফ আলিকো,র সিনিয়র কর্মকর্তা এবং ছোট মেয়ে নওশীন ঢা,বি,’র শিক্ষার্থী। জীবনের মধ্যগগনে কাজ করার সময় ১৯৯৯ সালের ২ আগষ্ট মাত্র ৫২ বছর বয়সে হঠাৎ স্ট্রোক করে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আজ শহীদুল ইসলামের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী।
একজন বন্ধুপ্রতিম, চটপটে, মিশুক ও হাস্যরসিকপূর্ণ যুবনেতা হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল। আমরা সকলে এ সফল সাবেক জাতীয় সভাপতির মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধায় স্মরণ করি। শান্তিতে ঘুমাও তুমি বন্ধু, আমরা তোমাকে সর্বদাই স্মরনে রাখি।
তথ্য লিপিবদ্ধে -আবদুর রব শিকদার ২,৮,২০২১