স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধা’র করোনায় মৃত ব্যক্তির গোসল, কাফন, জানাজা এবং দাফনের ব্যবস্থা

সেবাই হোক জীবনের পণ- এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধা করোনা সহায়তা হেল্প ডেস্ক চালু করেছে। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সাহায্যে এগিয়ে যাচ্ছেন এপেক্সিয়ান মনোয়ার হোসেন লাভলুর নেতৃত্বে এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধার সদস্যগণ।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির পরিবার দাফন কাফনের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রীর ব্যয়ভার পরিবার বহন করতে অপারগ হলে তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন “এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধা”।

এপেক্সিয়ান মনোয়ার হোসেন লাভলু জানান “এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধা” পরিবার কখনই মৃত ব্যক্তির প্রতি তার পরিবারের মানুষের অবহেলা বা অনীহাকে সমর্থন করে না। যাদের মৃত ব্যক্তিকে যথাযথ সম্মানের সাথে দাফন কাফন করার শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে, তাদের প্রতি আহবান রইল, তারা যেন নিজেরা যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৃত ব্যক্তিকে গোসল, কাফন, জানাজা এবং দাফনের ব্যবস্থা করেন। আর যাদের শারীরিক বা অর্থনৈতিক স্বক্ষমতা না থাকে, সেক্ষেত্রে সহায়তায় আছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আমাদের গাইবান্ধা  করোনা ফাইটার্স” এবং “এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধা”। তিনি আরো বলেন-

‌”সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও নিজের পরিবারের দায়িত্ব নিজে না নিয়ে অন্যের উপর দেবেন না, এটা পারিবারিক বন্ধনকে দূর্বল করে।”

অসম সাহসী মানবতাপ্রেমী এই মানুষগুলোর জন্য রইল এপেক্স বাংলাদেশের পক্ষ হতে আন্তরিক অভিনন্দন। উল্লেখ্য যে, এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধা এপেক্স বাংলাদেশ এর হীরক জয়ন্তী (১৯ জুলাই ১৯৬১ থেকে ২০২১) পালন উপলক্ষে ঈদের দিন তাদের নিজেদের অর্থায়নে একটি গরু কোরবানী দেয় এবং এর সম্পূর্ণ মাংস কমভাগ্যবানদের মাঝে বিলিয়ে দেয়। এপেক্স বাংলাদেশ একটি স্বেচ্ছাসেবী সেবামূলক সংগঠন। এপেক্স বাংলাদেশের বর্তমান সভাপতি এপে. নিজাম উদ্দিন পিন্টুর নেতৃত্বে Looking Forward থীম বাস্তবায়নে শতাধিক ক্লাবগুলো সারাদেশে নানাভাবে করোনায় সেবা করে যাচ্ছে তাদের মধ্যে  এপেক্স ক্লাব অব গাইবান্ধা একটি উল্লেখযোগ্য ক্লাব। ২০২০ সালে এই ক্লাবটি ৫১২৩টি তালের চারা ও আটি লাগিয়ে এপেক্স বাংলাদেশ কর্তৃক গ্রীন এওয়ার্ড পদকে ভূষিত হয়েছেন।